ঢাকা ১৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আহ্বান: ডেঙ্গু রোধে সবাইকে হতে হবে সচেতন ফেনীতে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন সজীবের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ শিল্প খাতের উন্নয়ন ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী খুলনা রূপালী ব্যাংকে আওয়ামী সিবিএ নেতাদের ‘ভোল্ট বদল’: কর্মকর্তা হয়রানি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪–৫ বছর সময় লাগবে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  4:28 PM

news image

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর। তিনি বলেন, এর চেয়ে কম সময়ে এ ধরনের অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয়।

বুধবার সচিবালয়ে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে গভর্নর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং সরকার পুরো বিষয়টিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

এ পর্যন্ত কতগুলো মামলা চিহ্নিত করা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেন, ‘এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট সংখ্যা মনে নেই। তবে অনেকগুলো মামলা হয়েছে।’

মামলার মাধ্যমে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিদেশ থেকে অর্থ আনতে সাধারণত চার থেকে পাঁচ বছর লাগে। এর নিচে হয় না। তবে আমরা ভাগ্যবান হতে পারি যদি লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। কারণ, তিনি ওই মামলাটি লড়েননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মামলাটি তিনি হেরে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ওই অর্থ কবে দেশে আসবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে বা জুন—যেকোনো সময় লাগতে পারে।

ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেন, অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতে আবেদনের ওপর নির্ভর করে। এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং সেখানে বাংলাদেশের করণীয় খুব সীমিত। ‘আমাদের ধারণা, সাইফুজ্জামান তো মামলাই লড়েননি। ফলে তিনি এমনিতেই হেরে গেছেন,’—যোগ করেন তিনি।

এ সময় এস আলম গ্রুপ–সংক্রান্ত অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম আরবিট্রেশন ফাইল মিউটেশন করেছে। চোরের মায়ের বড় গলা। মামলাটি আমরা লড়ব।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি