ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি, ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে উড্ডয়নের ২০ মিনিট পরই বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমান, নিহত ২ পাইলট পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ, কী হবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কর কর্মকর্তা আব্দুল আলিম সরকারের বিরুদ্ধে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: নামে-বেনামে বহুতল ভবন, প্লট ও বিপুল সম্পদের তথ্য রিফাইনারির অনুমতি পেতে আগের নাকচের তথ্য গোপন: তদন্তে বিপিসি সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের জোটে বাংলাদেশ: সামনে বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা ব্যক্তির বক্তব্য নয়, পররাষ্ট্রনীতি হতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক

শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক কাজী আজহার আলীর মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার

#

বিজ্ঞপ্তি

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫,  10:55 PM

news image

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাবেক সচিব, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অবৈতনিক উপাচার্য, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, সমাজসেবক কাজী আজহার আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল সোমবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫। ২০০৯ সালের এই দিনে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল ১৫ ডিসেম্বর সকাল ১০ ঘটিকায় বনানী কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া আগামীকাল সোমবার বেলা ১১ ঘটিকায় মোহাম্মদপুরের আদাবরস্থ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস মিলায়তনে মরহুমের কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। 

কাজী আজহার আলী ১৯৫৯ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি) যোগদান করে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের পর পূর্ব পাকিস্তানে মহকুমা প্রশাসক (এসডিও), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক পদে চাকরিকালে শোষিত ও অবহেলিত বাঙালি জাতির ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রদানে পাকিস্তান সরকারকে বিভিন্নভাবে বাধ্য করেছিলেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে তাঁর মানবতাবাদী কার্যক্রম বহুগুণে বিস্তৃত হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের শাসনামলে ছয়টি মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে চাকরিকালে দেশে ও বিদেশে সরকারের নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ইতিবাচক ভূমিকা তিনি পালন করেন। একাধিক সামরিক শাসনামলেও জনগণের ওপর উগ্র শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতায়ন তিনি তাঁর মেধা, মনন ও বুদ্ধিমত্তায় মোকাবিলা করে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে বারবার এ দেশকে রক্ষা করেছেন। বিদ্যুৎ বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে চাকরিকালে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ নির্মাণে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

সমাজসেবার পাশাপাশি লেখালেখিও করতেন তিনি। তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ “তিনকাল” সহ উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে Rural Development in Bangladesh, District Administration in Bangladesh, Decentralised Administration in Bangladesh, State Trading and Its Impact on Economy, স্মৃতির পাতা থেকে, ইতিহাসের অলিগলি, আমার দেখা একুশে, বাংলাদেশে জেলা প্রশাসন, কাজের ফাঁকে ফাঁকে, সেই সব দিনগুলি, ঝড়ো হাওয়ার মাঝে উল্লেখযোগ্য।  

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি