ঢাকা ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার, ওয়ালটনের উৎপাদন সক্ষমতায় মুগ্ধ এমইএস গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের আয়োজনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত প্রকৌশলী মালেকের ঢাকা-গাইবান্ধার সম্পদ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওয়ালটনের সোলার ইকোসিস্টেম উন্মোচন করলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রক্ষায় আবাসন খাতে নীতিসহায়তার দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আলো, মাঠে গড়াচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ আইসিসিবিতে ক্রেতাদের সাড়ায় জমজমাট সুপার সেল কার বাজারআইসিসিবিতে ক্রেতাদের সাড়ায় জমজমাট সুপার সেল কার বাজার সামরিক শাসনের প্রথম অধ্যায়: পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ছেদ রাজউকের আবাসনে দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা অক্টোবরে মাঠে গড়াচ্ছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ক্রিকেট ও ফুটবল

রাতের খাবারের টেবিলে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি, ছেলেকে গুলি করে বাবার আত্মহত্যা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১১ মে, ২০২৬,  5:54 PM

news image

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের লুধিয়ানায় পারিবারিক বিরোধের জেরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। রাতের খাবারের সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেন বাবা, পরে বিষ পান করে নিজেও আত্মহত্যা করেন তিনি।

রোববার (১১ মে) গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির নাম সুরিন্দর সিং ওরফে ফৌজি। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। নিহত ছেলের নাম গুরশরন সিং গিনি (৪০)।

পুলিশ জানায়, সুরিন্দরের স্ত্রী কয়েক বছর আগে মারা যান। এরপর তিনি আবার বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে তার ছেলে গুরশরন এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন। এই বিষয় নিয়েই ডিনারের সময় তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

সরাভা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজয় কুমার জানান, একপর্যায়ে সুরিন্দর তার ১২ বোর ডাবল ব্যারেল বন্দুক দিয়ে ছেলেকে গুলি করেন। প্রথম গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গুরশরন প্রাণ বাঁচাতে বাইরে রাস্তায় দৌড়ে যান। কিন্তু সুরিন্দর তাকে ধাওয়া করে রাস্তায় গুলি করেন।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছেলেকে ফেলে রেখে সুরিন্দর বাড়িতে ফিরে গিয়ে নিজেকে ঘরে তালাবদ্ধ করে বিষ পান করেন।

স্থানীয়রা রাস্তায় গুরশরনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত এসে দরজা ভেঙে সুরিন্দরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনেরই মৃত্যু হয়।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বাবা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। ঘটনার সময় দুজনই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। খাবারের টেবিলে খাবার পড়ে থাকায় বোঝা যায়, খাওয়ার মাঝপথেই এই সংঘর্ষ শুরু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সুরিন্দরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নেওয়া হলেও তার মৃত্যুর কারণে তদন্ত প্রক্রিয়া এখন নতুনভাবে এগোবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুই মেয়ের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি