ঢাকা ১৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আহ্বান: ডেঙ্গু রোধে সবাইকে হতে হবে সচেতন ফেনীতে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন সজীবের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ শিল্প খাতের উন্নয়ন ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী খুলনা রূপালী ব্যাংকে আওয়ামী সিবিএ নেতাদের ‘ভোল্ট বদল’: কর্মকর্তা হয়রানি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

রাতের খাবারের টেবিলে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি, ছেলেকে গুলি করে বাবার আত্মহত্যা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১১ মে, ২০২৬,  5:54 PM

news image

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের লুধিয়ানায় পারিবারিক বিরোধের জেরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। রাতের খাবারের সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেন বাবা, পরে বিষ পান করে নিজেও আত্মহত্যা করেন তিনি।

রোববার (১১ মে) গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির নাম সুরিন্দর সিং ওরফে ফৌজি। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। নিহত ছেলের নাম গুরশরন সিং গিনি (৪০)।

পুলিশ জানায়, সুরিন্দরের স্ত্রী কয়েক বছর আগে মারা যান। এরপর তিনি আবার বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে তার ছেলে গুরশরন এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন। এই বিষয় নিয়েই ডিনারের সময় তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

সরাভা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজয় কুমার জানান, একপর্যায়ে সুরিন্দর তার ১২ বোর ডাবল ব্যারেল বন্দুক দিয়ে ছেলেকে গুলি করেন। প্রথম গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গুরশরন প্রাণ বাঁচাতে বাইরে রাস্তায় দৌড়ে যান। কিন্তু সুরিন্দর তাকে ধাওয়া করে রাস্তায় গুলি করেন।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছেলেকে ফেলে রেখে সুরিন্দর বাড়িতে ফিরে গিয়ে নিজেকে ঘরে তালাবদ্ধ করে বিষ পান করেন।

স্থানীয়রা রাস্তায় গুরশরনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত এসে দরজা ভেঙে সুরিন্দরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনেরই মৃত্যু হয়।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বাবা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। ঘটনার সময় দুজনই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। খাবারের টেবিলে খাবার পড়ে থাকায় বোঝা যায়, খাওয়ার মাঝপথেই এই সংঘর্ষ শুরু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সুরিন্দরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নেওয়া হলেও তার মৃত্যুর কারণে তদন্ত প্রক্রিয়া এখন নতুনভাবে এগোবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুই মেয়ের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি