ঢাকা ১৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আহ্বান: ডেঙ্গু রোধে সবাইকে হতে হবে সচেতন ফেনীতে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন সজীবের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ শিল্প খাতের উন্নয়ন ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী খুলনা রূপালী ব্যাংকে আওয়ামী সিবিএ নেতাদের ‘ভোল্ট বদল’: কর্মকর্তা হয়রানি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

বসুন্ধরাকে সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার তোড়জোড়ে আপত্তি গোলাম মাওলা রনির

#

বিজ্ঞপ্তি

১০ মে, ২০২৬,  2:29 PM

news image

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে নেওয়ার যে তোড়জোড় চলছে, সে বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

তিনি বলেন, নাগরিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা বোধ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আসার পর আমার কখনো হয়নি। ধানমণ্ডিতে নিজ বাড়িতে ৩০ বছর থেকেছি। এখন আমি বসুন্ধরাতে স্থানান্তর হলাম।

এখানে একটা বাড়ি করেছি। ধানমণ্ডির আদিবাসিন্দা কিংবা পুরানা পল্টনের আদিবাসিন্দা হিসেবে এই শহরকে আমার কাছে মাঝেমধ্যেই খুব অচেনা মনে হতো। যেদিন গণ্ডগোল হতো ঢাকা কলেজে কিংবা পুরানা পল্টন, প্রেস ক্লাব—এই সমস্ত এলাকাতে আমি আমার ঘর থেকে কখনো বের হতে সাহস পাইনি। কিংবা সন্ধ্যার পরে যখন আমি বের হতাম, তখন ঘড়িটা নিতাম না, মানি ব্যাগটা নিতাম না, যতটুকু টাকা দরকার ততটুকু নিতাম, এমনকি মোবাইলটা পর্যন্ত নিতাম না।

এই শহরে আমার পরিচিতি থাকার পরে নিরাপত্তাহীনতা সেই পর্যায়ে ছিল। কিন্তু বসুন্ধরার যে অভ্যন্তরীণ পরিবেশ আমি গত ছয় মাস যাবৎ যেটা দেখছি—এখানে যারা যারা থাকছেন, তাদের কারোর মধ্যে এই নিরাপত্তাহীনতার কোনো অভিযোগ নেই। এখানে আমার বিল্ডিং হচ্ছে চার বছর ধরে। এই চার বছর কনস্ট্রাকশনের সময় এমন কোনো ঘটনা শুনিনি যে ঘটনার জন্য পুলিশের সাহায্য দরকার হতে পারে বা পুলিশের মধ্যস্থতা দরকার হতে পারে।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেন, বর্তমান প্রশাসনকে ব্যবহার করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার চলমান ভালো দিকগুলো তছনছ করে দিয়ে এটির অবস্থা কলাবাগান, ঝিগাতলা, ধানমণ্ডি, গুলশানের মতো হবে না তার কী প্রমাণ আছে? তিনি বলেন, আমরা যারা এখানকার বাসিন্দা রয়েছি, তুলনামূলকভাবে আমরা এই মুহূর্তে নিরাপত্তা বোধ করছি। আমরা এ দেশের নাগরিক, এখানে কয়েক লাখ লোক বসবাস করে, সবাই সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি। অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং এদের হাতে অর্থনীতির অনেক চালিকাশক্তি রয়েছে। কাজেই এদের একটা নিরাপদ জীবন, হ্যাপি লাইফের ওপরে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি নির্ভর করে। সরকার রাজস্ব আয় করতে চায়, সরকার এখানে অংশগ্রহণ করতে চায়, সেটা হতে পারে বিধিমোতাবেক।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এই বসুন্ধরার মধ্যে যে সিস্টেম, এত সুন্দর সিস্টেম কোনো ক্যান্টনমেন্টের মধ্যেও নেই। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে এতটা সুশৃঙ্খল নিয়ম-কানুন নেই। এখানে কোনো গাড়ি অ্যাকসিডেন্ট হয় না। এখানে কোনো ট্রাফিক দরকার হয় না। কোনো কিছু দরকার হয় না। এত বিশাল এলাকা। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে, সেখানে সারাক্ষণ সেই সিসি ক্যামেরা দিয়ে—মানে সেই মিলিটারি পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে এবং অনেক সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদেরও সেই মিলিটারি পুলিশ জরিমানা করে। কিন্তু বসুন্ধরায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ফলে এই সিস্টেমটা যেন ধ্বংস না হয়। 

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে বাড্ডা রোডে দেখেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে সেই মাদানী এভিনিউ দেখেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে শুরু করে বাড্ডা লিংক রোড রয়েছে, সেখানে গিয়ে দেখেন কী হচ্ছে—মানে একটা সেকেন্ড আপনি ফুটপাতে হাঁটতে পারবেন না। সেখান থেকে আপনি যখন বসুন্ধরার মধ্যে ঢুকবেন ইটস এ নিউ থিং। এটার সঙ্গে বাড়িধারা ডিপ্লোমেটিক জোন ছাড়া অন্য কোনো এলাকার তুলনা করা চলে না।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি