ঢাকা ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশীয় পণ্যে অগ্রাধিকার, ওয়ালটনের উৎপাদন সক্ষমতায় মুগ্ধ এমইএস গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের আয়োজনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত প্রকৌশলী মালেকের ঢাকা-গাইবান্ধার সম্পদ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওয়ালটনের সোলার ইকোসিস্টেম উন্মোচন করলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রক্ষায় আবাসন খাতে নীতিসহায়তার দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আলো, মাঠে গড়াচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ আইসিসিবিতে ক্রেতাদের সাড়ায় জমজমাট সুপার সেল কার বাজারআইসিসিবিতে ক্রেতাদের সাড়ায় জমজমাট সুপার সেল কার বাজার সামরিক শাসনের প্রথম অধ্যায়: পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ছেদ রাজউকের আবাসনে দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা অক্টোবরে মাঠে গড়াচ্ছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ক্রিকেট ও ফুটবল

ইরান আধুনিক ইসলামি সভ্যতার স্পন্দিত হৃদয়: আলি আগাজানি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০১ মে, ২০২৬,  3:42 PM

news image

ইরান কোনো প্রান্তিক রাষ্ট্র নয়, বরং আধুনিক ইসলামি সভ্যতার স্পন্দিত হৃদয়—এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও শিক্ষক আলি আগাজানি।

সম্প্রতি তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘ইমাম ও নেতৃত্ব’ শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি বলেন, শহীদ আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির রাজনৈতিক চিন্তায় ইরানের ধর্মতত্ত্ব একটি জীবন্ত ও কার্যকর চিন্তাপদ্ধতি। এতে প্রাচীন ইতিহাস, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, ভাষা, জাতিগত বৈচিত্র্য ও জাতীয় শক্তিসহ সব উপাদান ধর্মীয় মূল্যবোধের কাঠামোর মধ্যে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত হয়েছে।

নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, এই চিন্তাধারায় ইরানকে শুধু একটি ভূখণ্ড নয়, বরং ‘ইসলামি মাতৃভূমি’ হিসেবে দেখা হয়—যেখানে ইসলাম দেশটিকে দখল করেনি, বরং উন্নত ও পরিপূর্ণ করেছে। এখানে ইসলাম ও ইরানিত্বকে পরস্পরবিরোধী নয়, বরং একই সত্যের দুটি দিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আলি আগাজানি বলেন, ইসলাম ইরানকে বর্ণবাদ ও সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ থেকে মুক্ত করে বৈশ্বিক উম্মাহভিত্তিক পরিচয় দিয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেশপ্রেমও ঈমানের অংশ, যা ইসলামের মূল্যবোধের সঙ্গে সমন্বিত।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের ইতিহাসে ইসলাম আগমনের পরই জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে ফারসি ভাষাকে জাতীয় পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের শক্তিশালী মাধ্যম।

নিবন্ধে ইরানের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যকে দুর্বলতা নয়, বরং ঐক্যের শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ইসলাম এই বৈচিত্র্যকে সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় অগ্রগতির অংশে পরিণত করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও ইরানের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে আগাজানি বলেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশটি ন্যানোপ্রযুক্তি, জীবপ্রযুক্তি ও পারমাণবিক গবেষণায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এটি ইসলামি আত্মবিশ্বাস ও তরুণদের উদ্যমের ফল।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় পণ্য ব্যবহার, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় শক্তি বৃদ্ধি—এসবকেও ধর্মীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়।

নিবন্ধে উপসংহারে বলা হয়, ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ বা শিকড়বিহীন ইসলাম—উভয়ের বিকল্প হিসেবে ইরানের এই ধর্মতাত্ত্বিক চিন্তাধারা একটি ‘তৃতীয় পথ’ দেখায়। এই পথ একটি শক্তিশালী, ন্যায়ভিত্তিক ও আত্মনির্ভর ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের দিকনির্দেশনা দেয়।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি