ঢাকা ১৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আহ্বান: ডেঙ্গু রোধে সবাইকে হতে হবে সচেতন ফেনীতে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন সজীবের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ শিল্প খাতের উন্নয়ন ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী খুলনা রূপালী ব্যাংকে আওয়ামী সিবিএ নেতাদের ‘ভোল্ট বদল’: কর্মকর্তা হয়রানি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুন, ২০২৬,  5:36 PM

news image

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল উন্নয়ন প্রকল্পের আসবাবপত্র ক্রয়ের কার্যক্রম গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR) অনুসরণ করে সম্পন্ন হচ্ছে। দরপত্রে অংশ নেওয়া ‘হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড’ আটটি লটে অংশগ্রহণ করলেও কারিগরি মূল্যায়ন ও বিধিমালা অনুযায়ী কোনো লটেই নির্বাচিত হতে পারেনি বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ৮ জুন প্রতিষ্ঠানটি গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি অভিযোগ দাখিল করলেও সেখানে দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। পরবর্তীতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ক্রয়প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি বলেও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।

এদিকে জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের মতে, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এমন সময়ে নাফরিজা শ্যামার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ঘটনাকে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের পরিকল্পিত অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, উদ্দেশ্য হলো একজন দক্ষ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং তার পদোন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করা।

সংশ্লিষ্টদের আরও অভিযোগ, অতীতে সুবিধাভোগী কিছু কর্মকর্তা এবং কাজ না পাওয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একটি অংশ এই অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গেলে প্রায়ই বিভিন্ন সিন্ডিকেটের চাপের মুখে পড়তে হয়। নিয়ম অনুসারে কাজ না পেলে কিছু প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা চরিত্রহননের চেষ্টা করে থাকে। নাফরিজা শ্যামার ক্ষেত্রেও একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করা এবং কর্মকর্তাদের মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, দায়িত্বশীল ও সৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার রোধে সরকারকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হবে, যাতে কোনো অসাধু চক্র প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে না পারে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি